রাজশাহীর তানোরের কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) লব্ব্যাতলা ব্রিজ সংলগ্ন চারণ ভুমিতে ঝড়ে পড়ে থাকা বিদ্যুতের তারে বিদ্যুৎস্পস্ট হয়ে ৭টি গরু ও ২টি শেয়াল মারা গেছে।
গত (৪জুন) বৃহস্পতিবার বিকেলে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিতে বিদ্যুতের খুটি থেকে তার বিচ্ছিন্ন হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। কিন্ত্ত বিদ্যুৎ বিভাগকে জানানোর পরেও তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। এমতাবস্থায় শুক্রবার (৫জুন) সকালে চারণ ভুমির এসব জমিতে প্রতিদিনের মতোই এলাকার কৃষকদের বেশ কিছু গরু ঘাস খাচ্ছিল।কিন্ত্তু বিদ্যুতায়িত জমিতে প্রবেশ করা মাত্রই বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই ৭টি গরু মারা যায়।
একই সময়ে ওই জমির আশপাশে থাকা ২টি বুনো শেয়ালও বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায়। এসব গরুর মধ্য চারটি গরু ভরন(গর্ভবতী),একটি গরুর তিন আগে বাছুর হয়েছে,আর দুটি গরু বকনা। তাদের অভিযোগ, ঝড়-বৃস্টির পর বিদ্যুৎ বিভাগে জানানো হলেও ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটি বা ছেঁড়া তারের বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। যদি সময়মতো তদারকি করা হতো, তবে কৃষকদের এই বিশাল ক্ষতি হতো না।
স্থানীয়রা জানান, তালন্দ মহল্লার মুঞ্জুর হোসেনের একটি, সুমাসপুর মহল্লার মোজাফফর আলীর একটি, হরিদেবপুর মহল্লার সুধা রাণীর দুটি, নিতেন চন্দ্রের একটি ও চকু রাণীর একটি মোট সাতটি গরু মারা গেছে।
এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কান্না ও আহাজারিতে এলাকার বাতাসভারী হয়ে উঠে। এতে কৃষকদের লাখ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। একমাত্র সম্বল ও উপার্জনের মাধ্যম এসব গরু হারিয়ে তারা দিশেহারা ও বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।তাদের বুকফাটা আর্তনাদ ও কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে বাতাস।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, লব্ব্যাতলা ব্রীজের পুর্বদিকের মাঠে বিএমডিএ'র একটি গভীর নলকুপ রয়েছে। গভীর নলকুপটি পরিচালনা করছেন রিপন। গভীর নলকুপে দীর্ঘদিন যাবত ঝুঁকিপুর্ণ সঞ্চালন লাইন দিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।অন্যদিকে প্রায় দেড়মাস থেকে গভীর নলকুপ বন্ধ তার পরেও লাইনে সংযোগ সচল রয়েছে।
এদিকে গভীর নলকুপের খুটি থেকে নীতিমালা লঙ্ঘন করে বাঁশের খুটি দিয়ে মটর ও পুকুর পাড়ে ঝুঁকিপুর্ণ বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ বিভাগের পাশাপাশি মটর ও পুকুর মালিক এই দুর্ঘটনার দায় এড়াতে পারে না বলে মনে করছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা খান বলেন,ঘটনার খবর শুনেছি, ঘটনা স্থল পরিদর্শন করে তাদের আর্থিক সহায়তা দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ বলেন, এবিষয়ে এখানো কোনো অভিযোগ হয়নি।
এবিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ (নেসকো) তানোর আবাসিক প্রকৌশলী অমিত হাসান বলেন, গভীর নলকুপের মিটার পর্যন্ত তাদের দায়িত্ব।।মিটারের পরে যারা বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়েছেন সেটা তাদের দায়িত্ব।
এবিষয়ে বিএমডিএ' তানোর জোনের সহকারী প্রকৌশলী নাইমুল ইসলাম বলেন,এবিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য নাই, তারা গ্রাহক।
গত (৪জুন) বৃহস্পতিবার বিকেলে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিতে বিদ্যুতের খুটি থেকে তার বিচ্ছিন্ন হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। কিন্ত্ত বিদ্যুৎ বিভাগকে জানানোর পরেও তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। এমতাবস্থায় শুক্রবার (৫জুন) সকালে চারণ ভুমির এসব জমিতে প্রতিদিনের মতোই এলাকার কৃষকদের বেশ কিছু গরু ঘাস খাচ্ছিল।কিন্ত্তু বিদ্যুতায়িত জমিতে প্রবেশ করা মাত্রই বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই ৭টি গরু মারা যায়।
একই সময়ে ওই জমির আশপাশে থাকা ২টি বুনো শেয়ালও বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায়। এসব গরুর মধ্য চারটি গরু ভরন(গর্ভবতী),একটি গরুর তিন আগে বাছুর হয়েছে,আর দুটি গরু বকনা। তাদের অভিযোগ, ঝড়-বৃস্টির পর বিদ্যুৎ বিভাগে জানানো হলেও ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটি বা ছেঁড়া তারের বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। যদি সময়মতো তদারকি করা হতো, তবে কৃষকদের এই বিশাল ক্ষতি হতো না।
স্থানীয়রা জানান, তালন্দ মহল্লার মুঞ্জুর হোসেনের একটি, সুমাসপুর মহল্লার মোজাফফর আলীর একটি, হরিদেবপুর মহল্লার সুধা রাণীর দুটি, নিতেন চন্দ্রের একটি ও চকু রাণীর একটি মোট সাতটি গরু মারা গেছে।
এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কান্না ও আহাজারিতে এলাকার বাতাসভারী হয়ে উঠে। এতে কৃষকদের লাখ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। একমাত্র সম্বল ও উপার্জনের মাধ্যম এসব গরু হারিয়ে তারা দিশেহারা ও বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।তাদের বুকফাটা আর্তনাদ ও কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে বাতাস।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, লব্ব্যাতলা ব্রীজের পুর্বদিকের মাঠে বিএমডিএ'র একটি গভীর নলকুপ রয়েছে। গভীর নলকুপটি পরিচালনা করছেন রিপন। গভীর নলকুপে দীর্ঘদিন যাবত ঝুঁকিপুর্ণ সঞ্চালন লাইন দিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।অন্যদিকে প্রায় দেড়মাস থেকে গভীর নলকুপ বন্ধ তার পরেও লাইনে সংযোগ সচল রয়েছে।
এদিকে গভীর নলকুপের খুটি থেকে নীতিমালা লঙ্ঘন করে বাঁশের খুটি দিয়ে মটর ও পুকুর পাড়ে ঝুঁকিপুর্ণ বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ বিভাগের পাশাপাশি মটর ও পুকুর মালিক এই দুর্ঘটনার দায় এড়াতে পারে না বলে মনে করছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা খান বলেন,ঘটনার খবর শুনেছি, ঘটনা স্থল পরিদর্শন করে তাদের আর্থিক সহায়তা দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ বলেন, এবিষয়ে এখানো কোনো অভিযোগ হয়নি।
এবিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ (নেসকো) তানোর আবাসিক প্রকৌশলী অমিত হাসান বলেন, গভীর নলকুপের মিটার পর্যন্ত তাদের দায়িত্ব।।মিটারের পরে যারা বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়েছেন সেটা তাদের দায়িত্ব।
এবিষয়ে বিএমডিএ' তানোর জোনের সহকারী প্রকৌশলী নাইমুল ইসলাম বলেন,এবিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য নাই, তারা গ্রাহক।
আলিফ হোসেন